খাদ্যে ভেজাল
নিরুপন ও
প্রতিরধের জন্য
যারা নিয়মিত
পরিশ্রম করেন
, তারাই অবহেলিত
, রুগ্ন ____
" যে বিষয়টি না বললেই নয়, এ পর্যায়ের পদগুলো যেমন—পুলিশ ইন্সপেক্টর প্রথম শ্রেণী এবং কৃষি ও প্রকৌশল বিভাগের ডিপ্লোমাধারীদের দ্বিতীয় শ্রেণীতে রূপান্তর করা হয়েছে। স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের ফিডার পোস্ট স্বাস্থ্য সহকারীদের ন্যূনতম যোগ্যতা ছিল এইচএসসি পাস। স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে তিন বছর কাজ করার পর তিন বছরের ডিপ্লোমা করে স্যানিটারি ইন্সপেক্টরে পদায়ন করা হয়। সুতরাং তাঁদের শিক্ষাগত অভিজ্ঞতা ন্যূনতম ১৫ বছর। যদি স্নাতক ডিগ্রিধারী একজন পুলিশ ইন্সপেক্টর প্রথম শ্রেণীর মর্যাদা পেতে পারেন। তবে স্যানিটারি ইন্সপেক্টররা তা পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন। "
" যে বিষয়টি না বললেই নয়, এ পর্যায়ের পদগুলো যেমন—পুলিশ ইন্সপেক্টর প্রথম শ্রেণী এবং কৃষি ও প্রকৌশল বিভাগের ডিপ্লোমাধারীদের দ্বিতীয় শ্রেণীতে রূপান্তর করা হয়েছে। স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের ফিডার পোস্ট স্বাস্থ্য সহকারীদের ন্যূনতম যোগ্যতা ছিল এইচএসসি পাস। স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে তিন বছর কাজ করার পর তিন বছরের ডিপ্লোমা করে স্যানিটারি ইন্সপেক্টরে পদায়ন করা হয়। সুতরাং তাঁদের শিক্ষাগত অভিজ্ঞতা ন্যূনতম ১৫ বছর। যদি স্নাতক ডিগ্রিধারী একজন পুলিশ ইন্সপেক্টর প্রথম শ্রেণীর মর্যাদা পেতে পারেন। তবে স্যানিটারি ইন্সপেক্টররা তা পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন। "
বর্ণ বৈষম্য এর মত চাকরি বৈষম্যও সমাজকে ঘুনে ধরে ।
কেউ জানতে
চায় না
উনাদের মানসিক
অবস্তা ।
জেনেছি ভেজাল মুক্ত খাবার এর পরিবেশ তৈরির অনেক সীমাবদ্ধতার কথা । যেমন রাজনৈতিক প্রভাব , এলাকার প্রভাবশালী ব্যাবসায়িদের দৌরাত্ত , প্রসাসনের অপ্রতুলতা , নিজেদের ক্ষমতা, আইনের সীমাবদ্ধতা , আরও অনেক ।
আরও কয়েকটি বিষয় না জানালেই নায় ঃ
১- খাদ্যে ফরমালিন নিরুপনের জন্য সরকার একটি যন্ত্র আনেন । কিন্তু সেই যন্ত্রটি সরকার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে না দিয়ে দিয়েছেন মৎস্য অধিদপ্তরকে । যা প্রয়োগহীন বা হাস্যকর বলা চলে। মাছ বাজারে মৎস্য অধিদপ্তরের কেউ যায় কি ?
২- বি,এস,টি,আই এর পরিদর্শক আনুমানিক - ৩২ জন ।
কিন্তু স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক - ৫১১ জন ।
সেই ক্ষেত্রে বি,এস,টি,আই এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যৌথভাবে কাজ করলে খাদ্যে ভেজাল নিরুপন ও নিয়ন্ত্রন খুব দ্রুত ( কাহারো মতে ৩ মাসের মধ্যে ) সম্ভব হবে ।
দুঃখের বিষয় হলো, সেখানে ১৯৬৭ সালের রুলস অনুযায়ী মাত্র ১০৭টি নমুনা পরীক্ষার সুযোগ রয়েছে। ক্ষতিকর রাসায়নিকের উপস্থিতি, খাদ্যে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা, অ্যালকোহলের পরিমাণ ইত্যাদি পরিমাপের কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই ইচ্ছা থাকলেও অনেক নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না।
আমি এই ব্যাপারে কথা বলেছি গৌরীপুর, ভালুকা, ত্রিশাল, ফুলপুর , হালুয়াঘাট, মৌলবিবাজার, হবিগঞ্জ, কুরিগ্রাম, শেরপুর, সহ আরও বেশ কয়েকটি উপজেলার স্যানিটারি ইন্সপেক্টরদের সঙ্গে ।
আবস্তা দৃষ্টে মনে হল আমাদের "বলাকা ব্লেটের মত , সেই পাকিস্তান আমলেও এর যা দাম ছিল এখনো তাই , ব্লেট আছে ধার নাই । "
জেনেছি ভেজাল মুক্ত খাবার এর পরিবেশ তৈরির অনেক সীমাবদ্ধতার কথা । যেমন রাজনৈতিক প্রভাব , এলাকার প্রভাবশালী ব্যাবসায়িদের দৌরাত্ত , প্রসাসনের অপ্রতুলতা , নিজেদের ক্ষমতা, আইনের সীমাবদ্ধতা , আরও অনেক ।
আরও কয়েকটি বিষয় না জানালেই নায় ঃ
১- খাদ্যে ফরমালিন নিরুপনের জন্য সরকার একটি যন্ত্র আনেন । কিন্তু সেই যন্ত্রটি সরকার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে না দিয়ে দিয়েছেন মৎস্য অধিদপ্তরকে । যা প্রয়োগহীন বা হাস্যকর বলা চলে। মাছ বাজারে মৎস্য অধিদপ্তরের কেউ যায় কি ?
২- বি,এস,টি,আই এর পরিদর্শক আনুমানিক - ৩২ জন ।
কিন্তু স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক - ৫১১ জন ।
সেই ক্ষেত্রে বি,এস,টি,আই এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যৌথভাবে কাজ করলে খাদ্যে ভেজাল নিরুপন ও নিয়ন্ত্রন খুব দ্রুত ( কাহারো মতে ৩ মাসের মধ্যে ) সম্ভব হবে ।
দুঃখের বিষয় হলো, সেখানে ১৯৬৭ সালের রুলস অনুযায়ী মাত্র ১০৭টি নমুনা পরীক্ষার সুযোগ রয়েছে। ক্ষতিকর রাসায়নিকের উপস্থিতি, খাদ্যে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা, অ্যালকোহলের পরিমাণ ইত্যাদি পরিমাপের কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই ইচ্ছা থাকলেও অনেক নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না।
আমি এই ব্যাপারে কথা বলেছি গৌরীপুর, ভালুকা, ত্রিশাল, ফুলপুর , হালুয়াঘাট, মৌলবিবাজার, হবিগঞ্জ, কুরিগ্রাম, শেরপুর, সহ আরও বেশ কয়েকটি উপজেলার স্যানিটারি ইন্সপেক্টরদের সঙ্গে ।
আবস্তা দৃষ্টে মনে হল আমাদের "বলাকা ব্লেটের মত , সেই পাকিস্তান আমলেও এর যা দাম ছিল এখনো তাই , ব্লেট আছে ধার নাই । "


