পৃষ্ঠাসমূহ

সোমবার, ২২ অক্টোবর, ২০১২

ভেজাল মুক্ত খাবার এর পরিবেশ তৈরি করতে



খাদ্যে ভেজাল নিরুপন প্রতিরধের জন্য যারা নিয়মিত পরিশ্রম করেন , তারাই অবহেলিত , রুগ্ন ____

"
যে বিষয়টি না বললেই নয়, পর্যায়ের পদগুলো যেমনপুলিশ ইন্সপেক্টর প্রথম শ্রেণী এবং কৃষি প্রকৌশল বিভাগের ডিপ্লোমাধারীদের দ্বিতীয় শ্রেণীতে রূপান্তর করা হয়েছে। স্যানিটারি ইন্সপেক্টরের ফিডার পোস্ট স্বাস্থ্য সহকারীদের ন্যূনতম যোগ্যতা ছিল এইচএসসি পাস। স্বাস্থ্য সহকারী হিসেবে তিন বছর কাজ করার পর তিন বছরের ডিপ্লোমা করে স্যানিটারি ইন্সপেক্টরে পদায়ন করা হয়। সুতরাং তাঁদের শিক্ষাগত অভিজ্ঞতা ন্যূনতম ১৫ বছর। যদি স্নাতক ডিগ্রিধারী একজন পুলিশ ইন্সপেক্টর প্রথম শ্রেণীর মর্যাদা পেতে পারেন। তবে স্যানিটারি ইন্সপেক্টররা তা পাওয়ার যোগ্যতা রাখেন। "

বর্ণ বৈষম্য এর মত চাকরি বৈষম্যও সমাজকে ঘুনে ধরে  
কেউ জানতে চায় না উনাদের মানসিক অবস্তা

জেনেছি ভেজাল মুক্ত খাবার এর পরিবেশ তৈরির অনেক সীমাবদ্ধতার কথা যেমন রাজনৈতিক প্রভাব , এলাকার প্রভাবশালী ব্যাবসায়িদের দৌরাত্ত , প্রসাসনের অপ্রতুলতা , নিজেদের ক্ষমতা, আইনের সীমাবদ্ধতা , আরও অনেক

আরও কয়েকটি বিষয় না জানালেই নায়
- খাদ্যে ফরমালিন নিরুপনের জন্য সরকার একটি যন্ত্র আনেন কিন্তু সেই যন্ত্রটি সরকার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে না দিয়ে দিয়েছেন ৎস্য অধিদপ্তরকে যা প্রয়োগহীন বা হাস্যকর বলা চলে। মাছ বাজারে ৎস্য অধিদপ্তরের কেউ যায় কি ?

- বি,এস,টি,আই এর পরিদর্শক আনুমানিক - ৩২ জন
কিন্তু স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিদর্শক - ৫১১ জন
সেই ক্ষেত্রে বি,এস,টি,আই এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যৌথভাবে কাজ করলে খাদ্যে ভেজাল নিরুপন নিয়ন্ত্রন খুব দ্রুত ( কাহারো মতে মাসের মধ্যে ) সম্ভব হবে

দুঃখের বিষয় হলো, সেখানে ১৯৬৭ সালের রুলস অনুযায়ী মাত্র ১০৭টি নমুনা পরীক্ষার সুযোগ রয়েছে। ক্ষতিকর রাসায়নিকের উপস্থিতি, খাদ্যে তেজস্ক্রিয়তার মাত্রা, অ্যালকোহলের পরিমাণ ইত্যাদি পরিমাপের কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই ইচ্ছা থাকলেও অনেক নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো সম্ভব হচ্ছে না।

আমি এই ব্যাপারে কথা বলেছি গৌরীপুর, ভালুকা, ত্রিশাল, ফুলপুর , হালুয়াঘাট, মৌলবিবাজার, হবিগঞ্জ, কুরিগ্রাম, শেরপুর, সহ আরও বেশ কয়েকটি উপজেলার স্যানিটারি ইন্সপেক্টরদের সঙ্গে

আবস্তা দৃষ্টে মনে হল আমাদের "বলাকা ব্লেটের মত , সেই পাকিস্তান আমলেও এর যা দাম ছিল এখনো তাই , ব্লেট আছে ধার নাই "

শনিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১২

লাক্কা কবুতর পরিপালন ও ব্যাবসায়িক দিকঃ

লাক্কা কবুতর দেখতে সাদা ও লেজটি ময়ূরের মত দেখতে । এই কবুতর সৌখীন লোকেরা তাদের বাসায় সুন্দরজ বৃদ্ধির জন্য লালন পালন করে । 


এই জাতের কবুতর পালনের জন্য খুব বেশী জায়গার প্রয়োজন হয় না । প্রয়োজন শুধু সঠিক পরিচর্যার । মাত্র ২.৫ফুট / ৩ ফুট / ২.৫ মাপের একটি খাচায় পালন করা যায় ।
 মাত্র  ১০ ফুট/৩ ফুট/৭.৫ ফুট মাপের একটি খাচায়  ১২ জোড়া লাক্কা কবুতর পালন করা যাবে  খুব সহজেই ।

এখন আসা যাক ব্যয় এবং লাভের দিক


ব্যায় ঃ

১ ঃ  ১২ জোড়া লাক্কা কবুতর পালনের জন্য ১০/৩/৭.৫ ফুট মাপের একটি ভালো লোহার খাচা   
        বানাতে খরচ পরবে আনুমানিক ১০,০০০/ টাকা ।
২ ঃ  এক জোড়া লাক্কা কবুতর ( ২ মাস বয়সী ) এর দাম  = ২৫০০ টাকা ।
        ১২ জোড়া লাক্কা কবুতরের দাম পরবে = ৩০,০০০/ টাকা
৩ ঃ  ১২ জোড়া লাক্কা কবুতরের খাবার বাবদ প্রতি মাসে আনুমানিক = ৩,০০০/ টাকা ।
         ৬ মাস খাবার বাবদ খরচ পরবে আনুমানিক = ১৮,০০০ টাকা ।
৪ ঃ  ৬ মাসে ভেক্সিন বাবদ খরচ পরবে আনুমানিক = ২,০০০/ টাকা ।

৬ মাস পর্যন্ত আনুমানিক খরচ = ( ১+২+৩+৪ ) = ৬০,০০০/ টাকা ।
( উল্লেখ্য যে, এই ব্যায় শুধু নিজের বসত বা ফ্লাটের  একটি রুমে করলে,
  একটি ১২/১০ ফুট রুমে উপরের মাপের ৩ টি খাচা রাখা যাবে । )

 লাভের দিক ঃ

লাক্কা কবুতরের বয়স যখন ৬ মাস হবে তখন থেকেই ডিম দেয়া শুরু করবে ।
অর্থাৎ কবুতর কিনে এনে খাচায় পরিপালনের বয়স যখন ৬ মাস হবে তখন ১২ জোড়া কবুতর থেকে ১২ জোড়া বাচ্চা পাওয়া যাবে । 
২ মাস বয়সী প্রতি জোড়া বাচ্চা বিক্রি করা যাবে = ১৫০০/ টাকা করে ।
১২ জোড়া বাচ্চা বিক্রি করা যাবে =  ১৮,০০০/ টাকা ।

এই হিসাবে মোট ব্যায় তোলে আনতে সময় লাগবে আনুমানিক ৪+৪ = ৮  মাস ।
প্রতি মাসে খাবার ব্যায় বাদ দিয়ে মাসে ১৫,০০০/ আয় করা যায় খুব সহজেই ।



যদি একটি রুমে ৩ টি খাচায় ৩৬ জোড়া কবুতর পরিপালন করা যায় ____
ব্যায় হবে ( ৬ মাসের খাবার ও ভ্যাক্সিন সহ ) আনুমানিক ১,৮০,০০০/ টাকা ।
মোট প্রাক্কলিত ব্যায় উঠে আসতে সময় লাগবে মাত্র ৪+৪ = ৮ মাস ।
এর পর থেকে প্রতি মাসে খাবার ও ভ্যাক্সিন বাবদ ব্যায় হবে = ৯০০০/ টাকা ।
লাভ হবে প্রতি মাসে নীট = ৪৫,০০০/ টাকা  ।

( মাত্র ২,০০,০০০/ টাকা ব্যায় করে , প্রতিদিন মাত্র ২/৩ ঘণ্টা সময় ব্যায় করে ,
   ৪+৪ = ৮  মাসের মধ্যে মূল প্রাক্কলিত ব্যায় ফেরত সহ , প্রতি মাসে ৪৫,০০০/ টাকা  
   আয় করা আর অন্য কোন ব্যাবসায় আছে কিনা আমার জানা নাই । )  
 

শুক্রবার, ১৩ এপ্রিল, ২০১২

“হালখাতাকে” , “পান্তা-ইলিশ” বানিয়ে দিল

১৫৫৭ সালে দিল্লীর মোগল সম্রাট আকবার প্রবর্তিত “সন-ই এলাহী ” নামে খাজনা আদায়ের সুবিধারথে বাংলা ১২ মাসের একখানা ‌বাংলা সন তৈরি করেন ।  যা এখোন ‌বাংলা সন  হিসাবে ব্যবহ্নত হয়ে আসছে ।
বৈশাখ থেকে শুরু হয়ে চৈত্রে এর সমাপ্তি ।
বৈশাখের ফসল উৎপাদনের করে  সম্রাটের খাজনা পরিশোধের পর কৃষক তার ফসল ঘড়ে তুলে আনন্দ উৎসব পালন করত ও মহাজনের পাওনা পরিশোধ করত । এই উপলক্ষে তখন থেকেই গ্রামের বিভিন্ন জায়গায় মেলা বসত । 
তারই ধারাবাহিকতায় চৈত্রের শেষের দিন থেকে বৈশাখের প্রথম কয়েক দিন  ব্যাবসায়িরা  তাদের ব্যবসার হালখাতা বা তাদের বিগত বৎসরের বকেয়া আদায় করেন । কৃষকদের হাতে ফসল বিক্রির টাকা থাকত বিধায় তারা বেস কেনাকাটা করত । তাই  ব্যাবসায়িরা তখন গ্রামের বিভিন্ন জায়গায় মেলা বসাত । যা আজও চলে আসছে ।
কিন্তু পহেলা  বৈশাখে “পান্তা-ইলিশ” খাওয়ার প্রচলনটা শহুরে লোকজন এমনভাবে শুরু  করে দিল যে , কৃষকেরাও তাদের সেই পুরান ঐতিহ্য ভুলে নগরবাসীর বৈশাখী উৎযাপনের স্রোতে গা এলিয়ে দিয়ে “হালখাতাকে” ,  “পান্তা-ইলিশ” বানিয়ে দিল । এই “পান্তা-ইলিশ” এতটাই দাম দিয়ে কিনতে হয় যে , যা প্রায় সকল কৃষকের নাগালের বাইরে ।
পান্তা ভাত ইলিশ দিয়ে খেতে হয় এটা বোধ করি বাঙালী জাতীর আগে জানা ছিলনা ।
সম্রাট আকবরের খাজনা আদায়ের সুবিধা  ও ব্যাবসায়িদের হালখাতা আজ  বাঙ্গালীর কাছে হয়ে উঠেছে , “ বাঙ্গালীর সংস্কৃতির “পান্তা-ইলিশ”  ও বাঙ্গালীর চেতনার অন্যতম উৎস ” । 

মঙ্গলবার, ১০ এপ্রিল, ২০১২


Green Bangla

Hi , This is green Bangla. Welcome every one to share my Green Bangla.
We will try to collect the all information , how to possoble green Bangladesh.
We are not doing any bad idea to implement in this site. We have created to refresh
your mind and inform you about Green Bangla if you are attached with Green Bangla.
Thanks
Site admin